গ্রিন টি একটি জনপ্রিয় পানীয়। এটি সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণের জন্য পরিচিত। অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে এই চা সকালের একটি পছন্দের পানীয়। তবে খালি পেটে এটি পান করার সময় অনেকেই হঠাৎ করে বমি বমি ভাব বা পেটে অ্যাসিডিটির অস্বস্তি অনুভব করেন।
- ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য প্রায় ১২ কোটি টাকা দেবেন বিয়ন্সে
- * * * *
- বার্সেলোনায় যোগ দিলেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক লিভাকোভিচ
- * * * *
- ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে উয়েফা
- * * * *
- ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ধারে টটেনহ্যামে মিশরীয় ফুটবলার
- * * * *
- সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনটি পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- * * * *
গ্রিন টি
এক মাস ধরে প্রতিদিন গ্রিন টি পান করার বিষয়টি জীবনযাপনের একটি ছোট পরিবর্তনের মতো শোনালেও, এর ফলাফল আশ্চর্যজনক হতে পারে। ঐতিহ্যবাহী এশীয় সংস্কৃতিতে গ্রিন টি নিরাময় ক্ষমতার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
শীত হোক বা গরম, সারাদিনে এক বার চায়ের কাপে চুমুক না দিলে চলে না। কেউ কেউ ওজন নিয়ন্ত্রণে গ্রিন টি পান করেন। কারো আবার লিকার চা ছাড়া চলেই না। গ্রিন টি এবং লাল চা দুইটিই ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের পাতা থেকে তৈরি, তবে প্রক্রিয়াকরণের তারতম্যের কারণে এদের গুণগত বৈশিষ্ট্য আলাদা।
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ৮ম বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী দেশ। প্রতিবছর দেশে গড়ে ৯–১০ কোটি কেজি চা উৎপাদিত হয়।
চায়ের সঙ্গে জুড়ে আছে আমাদের নানান রকম অনুভূতি। ঘুম কাটাতে, আড্ডা জমাতে, কাজের ফাঁকে ছোট্ট একটা বিরতি নিতে চা ছাড়া যেন চলেই না।
গ্রিন টিতে প্রচুর পরিমাণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মেলে। চা পাতার ঔষধি গুণের কথা স্বীকার করেছে বিজ্ঞানও।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেমন গ্রিন টি সাহায্য করে, তেমনি ত্বক উজ্জ্বল রাখতেও এর জুড়ি মেলা ভার। বিপাকহার উন্নত করতেও গ্রিন টির রয়েছে ভূমিকা।
ওজন কমানোর ইচ্ছা থাকলে ঘুম থেকে ওঠার পরপরই আমরা এমন কিছু খুঁজি, যা আমাদের এই যাত্রা সহজ করতে পারে। হালকা গরম পানি এবং লেবু দিয়ে দিন শুরু করা থেকে শুরু করে ডিটক্স চায়ে চুমুক দেওয়া পর্যন্ত, ওজন কমাতে সহায়ক কাজের অভাব নেই।
শীত এখনো পুরোপুরি জেঁকে বসেনি, তাতেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছেন কমবেশি সবাই।
শীত এখনো পুরোপুরি জেঁকে বসেনি, তাতেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছেন কমবেশি সবাই।